হাসপাতালের বিছানায় শুয়ে আছি
এক বিদেশির সঙ্গে রাজনীতি এবং গণতন্ত্র বিষয়ে কথা হচ্ছিল এক বাংলাদেশির।
কথায় কথায় বিদেশি বললেন, একবার রাস্তায় আমাদের এলাকার নেতার সঙ্গে দেখা
হয়ে গেল। সবার সামনে উঁচু গলায় আমি বললাম, ‘নির্বাচনের সময় তো অনেক
প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন। এলাকার রাস্তা সংস্কার করবেন, ছিনতাই হ্রাস করবেন।
কই, এখন তো এসবের কিছুই দেখছি না।’ এ কথা বলার পর প্রথম দিন কোনো উন্নতি
দেখলাম না, দ্বিতীয় দিনও কোনো উন্নতি দেখলাম না। তৃতীয় দিনে গিয়ে দেখলাম,
রাস্তা সংস্কার শুরু হয়েছে। ছিনতাই রোধে রাস্তায় পুলিশের প্রহরা বসেছে।বাংলাদেশি বললেন, আমারও একদিন আপনার মতোই আমাদের এলাকার নেতার সঙ্গে দেখা হয়েছিল। আমিও সবার সামনে জোর গলায় প্রতিবাদ করেছি, দাবি জানিয়েছি। প্রথম দিন কোনোই উন্নতি দেখলাম না। দ্বিতীয় দিনও কোনো উন্নতি দেখলাম না। তৃতীয় দিন চোখ মেলে দেখলাম, হাসপাতালের বিছানায় শুয়ে আছি। ডান হাতটা তখনো নাড়াতে পারছিলাম না…!
পাগল হয়ে গেছ
বাবা: পিন্টু! তুমি যদি এখনই খেলা বন্ধ না করো, আমি পাগল হয়ে যাব।পিন্টু: বাবা, আমার ধারণা তুমি ইতিমধ্যেই পাগল হয়ে গেছ। আমি খেলা বন্ধ করেছি আরও আধঘণ্টা আগে। এখন তো কেবল খেলনাগুলো গুছিয়ে রাখছিলাম।
মাউস কেমন শব্দ করে
শিক্ষক প্রশ্ন করলেন: বলো তো বাচ্চারা, কাউ কেমন শব্দ করে?বাচ্চারা সমস্বরে উত্তর দিল: হাম্বা।
শিক্ষক বললেন: গুড! এখন বলো তো, গোট কেমন শব্দ করে?
বাচ্চারা বলল: ভ্যাএএ।
শিক্ষক: গুড! এখন বলো তো, মাউস কেমন শব্দ করে?
বাচ্চারা: ক্লিক!
ইহাকে বলে পলিটিক্স
হোসেন আলী আর মজনু মিঞা, দুজন দুই দলের সমর্থক। একবার দুজন এক হোটেলে বসে খাচ্ছিলেন। খেতে খেতে হোসেন আলী বললেন, আমরা কেন তোমাদের চেয়ে এগিয়ে থাকি জানো? খেয়াল করে দেখো, খাওয়া শেষে আমি পুরো ৫০ টাকা বখশিশ দেব এবং বলব, ‘ভোটটা কিন্তু লেবু মার্কায়ই দিয়ো।’মজনু মিঞা বললেন, আমিও কিন্তু তোমাদের লেবু মার্কায়ই ভোট চাইব। তবে বখশিশ হিসেবে দেব একটা অচল দুই টাকার নোট!










0 মন্তব্য(গুলি):
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন